fbpx

ব্যাটারি মেইনটেনেন্স

shell
Share on facebook
Share on twitter
Share on pinterest

গাড়িতে ব্যাটারি এর ব্যবহার সম্পর্কে সবারই ধারনা আছে। গাড়ি চালাতে গিয়ে ব্যাটারি নিয়ে বিড়ম্বনায় পরেননি এমন খুব কম মানুষই আছেন। দীর্ঘদিন ব্যাটারি বসে থাকলে ও ব্যবহার না হলে কি কি ধরনের সমস্যা হতে পারে এবং নিয়মিত কিভাবে এর মেইনটেন্যান্স করতে হয় তা আজ আমরা জানবো ।আলোচনা করবো কিছু টিপস নিয়ে যেটার মাধ্যমে ব্যাটারি মেনটেনেন্স করা যায় 

১। অনেক সময় খেয়াল করে দেখবেন ব্যাটারি আর টার্মিনালে সাদা কিছু জমে থাকে যা H2SO4 বা সালফিউরিক এসিড জমে যাওয়ার কারণে এমন হয়। এমন হবার কারণে এটা এক ধরনের রেজিস্টেন্স হয়ে যায়। ব্যাটারি চার্জ করার সময় এবং স্টার্ট করার সময় কানেকশন ঠিকমত পায় না। এজন্য এটাকে পরিষ্কার রাখতে হবে।

২। ব্যাটারি ফেইল হবার একটি বড় কারণ হল গাড়ির লাইট জ্বালিয়ে রাখা যখন কিনা গাড়ি বন্ধ থাকে। তাই উচিৎ হবে ইঞ্জিন বন্ধ অবস্থায় গাড়ির লাইট অফ করে রাখা।

৩। লুস কেবল কানেকশন অনেক সময় ব্যাটারি ড্যামেজ হবার কারণ হতে পারে। তাই সর্বদা এটি নিশ্চিত করে নিতে হবে যে কেবল কানেকশন ঠিক আছে কিনা।

৪। দীর্ঘ দিন গাড়ি না চললে ব্যাটারি চার্জ হতে পারে না ফলে ব্যাটারি ড্যামেজ হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। এইজন্য কিছু দিন পর পর গাড়ি কে ৩০ মিনিট এর জন্য স্টার্ট করে রাখা ভাল। এতে করে গাড়ির ব্যাটারি ড্যামেজ হবার সম্ভাবনা কম থাকে।

৫। শর্ট ট্রিপ ট্রিপ কিন্তু গাড়ির ব্যাটারির জন্য ভালো না। কেননা ব্যাটারি চার্জ হবার জন্য যে সময়টুকু প্রয়োজন সেটি ছোট ট্রিপে পাওয়া যায় না। এতে করে ব্যাটারি ড্যামেজ হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে।

৬। ব্যাটারি চার্জিং রেট ঠিক আছে কিনা সেটি চেক করা দরকার এবং ব্যাটারির টার্মিনাল এবং কেস যদি ময়লা থাকে তাহলে তা পরিষ্কার করতে হবে।

৭। নিয়মিত অর্থাৎ প্রতি ২-৩ মাস পর পর ব্যাটারি এর ইলেক্ট্রোলাইট বা পানির লেভেল চেক করা। যদি দেখা যায় পানির লেভেল কমে গেছে তাহলে শুধুমাত্র ডিস্ট্রিল পানি ব্যবহার করা। আর যদি AGM(Absorbed Glass Matt)  হয়ে থাকে তাহলে প্ৰয়োজন নেই।

৮। ব্যাটারি সেল ভোল্টেজ নিয়মিত চেক করুন।এর জন্য যান্ত্রিক কে কল করতে পারেন অথবা যেকোন  ওয়ার্কশপ এ গিয়ে চেক করতে পারেন। ব্যাটারি টেস্টে একটি ভাল ব্যাটারি ১২.৫ থেকে ১২.৬ ভল্ট দেখিয়ে থাকে।

৯। ওয়েদার টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অধিক গরম অথবা অধিক ঠাণ্ডা ব্যাটারি ডেমেজ এর জন্য অনেক সময় দায়ী। তাই গাড়ি পার্কিং এর সময় চেষ্টা করতে হবে গাড়িটি যেন গরমের সময় ছায়া যুক্ত কোন স্থান এবং শীতের সময় সুইটেবল একটা স্থানে পার্কিং করানোর।

Subscribe to our Newsletter

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.

Share this post with your friends

Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *